আজক আমাদের আলোচনার বিষয় সমপদী ও বিসমপদী তালের ঠেকা
সমপদী ও বিসমপদী তালের ঠেকা
বিসমপদী ভালের টেকা
(ক) আড়া চৌভালা (১৪ মাত্রা) – চিমা, মধ্য এবং দ্রুত লয়ে বাজানো হয় ।
(খ) থানার (১৪ মাত্রা) – মধ্য লয়ে বাজানো হয় ৷
(গ) যৎ (দ্বীপচন্দ্রিকা) (১৪ মাত্রা) – চিমা এবং মধ্য লয়ে বাজানো হয় ।
(খ) ঝুমরা (১৪ মাত্রা) চিমা লয়ে বাজানো হয়।
(ঙ) কোরদণ্ড ( ১৪ মাত্রা) – মধ্য লয়ে বাজানো হয়। কখনো বা চিমা লয়ে বাজানো হয়ে থাকে ।
(চ) লোয়ারী ( ১৪ মাত্রা ) — মধ্য লয়ে বাজানো হয় ।
(গোয়ারী ভাল — ১৩ মাত্রা, ১৪ মাত্রা, ১৫ মাত্রার হয় ) ।
(ছ) ঝাঁপতাল ( ১০ মাত্রা) মধ্য এবং দ্রুত লয়ে বাজানো হয় ।
(জ) পুরস্কাভা (১০ মাত্রা ) — মধ্য এবং দ্রুত লয়ে বাজানো হয় ।
(ঝ) জোন্দ (১১ মাত্রা ) – চিমা এবং দ্রুত লয়ে বাজানো হয় ।
(ঞ) মবভাল (১ মাত্রা )– মধ্য লয়ে বাজানো হয় ।
(ট) রূপক। ৭ মাত্রা ) — ঢিমা ও মধ্য লয়ে বাজানো হয় ৷
(ঠ) পোস্তা ( ৫ বা ৭ মাত্রা ) — মধ্য লয়ে বাজানো হয়।
(ড) ভেওয়া বা ডেও ( ৭ মাত্রা) – মধ্য লয়ে বাজানো হয় ।
(ঢ) লছমী ভাল (১৮ মাত্রা) — মধ্য লয়ে বাজানো হয় ।
(ণ) আড়া পঞ্চম ( )—ডিমা ও মধ্য লয়ে বাজানো হয়।
সমপঙ্গী ভালেৱ টেকার বাণী
(১) চিনা বা বিলম্বিত ত্রিতাল :- ( ১৬ মাত্রা, ৩টি ভাল, ১টি ফাঁক। ৪ টি করে মাত্রা নিয়ে এক-একটি ভাল )


(২) মধ্যলয় ও ধুনী ত্রিতাল :- ( ১৬ মাত্রা — ৩টি ভাল ও ১টি ফাক। ৪টি করে মাত্র। নিয়ে এক-একটি ভাল )


দ্রষ্টব্য : বিলম্বিত, চিমা ও মধ্যলয় এবং দ্রুতলয়ের ত্রিভালের ঠেকা মোট ১৬টা মাত্রায় পৰ্যবসিত। ‘সম’ নিয়ে ১৭ মাত্রা। সমের আঘাত বা সঙ্কেত হলো ‘ধা’। ৪টা মज নিয়ে এক-একটি ভাল গঠিত। সমের চিহ্ন হলো “+” । পাঁচ মাত্রায় ৩য় ভাল। নয় মাত্রায় ফাঁক বা অনঃঘাত, চিহ্ন “o” এবং তেরো মাত্রায় ১ম ভাল । নিম্নে একটা Diagram-এর সাহায্যে বোঝাবার চেষ্টা করা হলো :-

(ঘ) আড়াঠেকা : ( ১৬ মাত্রা, ৩টি তাল, ১টি ফাঁক মধ্যলয়ে বাজানো হয়। )

(ঙ) তিলোপ্পাড়া:– (১৬ মাত্রা, ৩টি তাল ১টি ফাঁক, টিমালয়ে এবং মধ্যলয়ে বাজানো হয় )

(চ) মধ্যমান : – ( ১৬ মাত্র’, ৩টি ভাল, ১টি ফাঁক-টিমালয়ে বাজানো হয় )

(ছ) কাহারৰা:—(৮ মাত্রা বা ৪ মাত্রা। একটি তাল বা আঘাত | একটি অনাখাত বা ফাঁক : মধ্য ও দ্রুতলয়ে বাজানো হয় । )

(জ) ঠুংরী 🙁 ১৬ বা ৮ মাত্রা। ৩টি তাল বা আঘাত। ১টি অনাঘাত বা ফাঁক চিমা, মধ্য ও দ্রুতলয়ে বাজানো হয় )

(ঝ) ঠুংরী সেভারখানী : – ( ১৬ মাত্রা বা ৮ মাত্রা। ৩টি ভাল, একটি ফাঁক । মধ্য ও দ্রুতলয়ে বাজানো হয় )

(ঞ) যৎ:- (৮ মাত্রা । ৩টি ভাল, ১টি ফাঁক । ২টি করে মাত্রা নিয়ে এক-একটি তাল। ঢিমা ও মধ্যলয়ে বাজানো হয়। )

(ট) একতাল : ঢিমা বা বিলম্বিত :- ( ৪টা তাল, ফাঁক নেই। ১২টি মাত্রায় গঠিত । )

(ঠ) চৌভালা: – (৪টি তাল বা আঘাত, ২টি অনাখাত বা ফাঁক । ১২ মাত্রায় গঠিত । :–( সাধারণতঃ মধ্যলয়ে বাজানো হয়। )

(ড) দাদরা :- (১টি ভাল বা আঘাত। ১টি অনাঘাত বা ফাঁক । ৬ মাত্রায় গঠিত। )

