আজক আমাদের আলোচনার বিষয় তলা ও ধাঁয়ার উত্থিত বোল বাণীর রেখা চিত্র
Table of Contents
তলা ও ধাঁয়ার উত্থিত বোল বাণীর রেখা চিত্র
ভবলা ও বাঁয়ায় উত্থিত বোল-বাণীর রেখা চিত্র
তবলার উত্থিত বোল-বাণী সম্পর্কে’, অর্থাৎ তবলা ও বাঁয়ার কোন স্থানে কিভাবে আঘাত করলে কি শব্দ উত্থিত হয়, এই পশুকে সে বিষয়ে যথাসাধ্য বিবরণ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সংবিধার জন্য এখানে বিভিন্ন প্রকার রেখাচিত্রের মাধ্যমে বিষয়টি বিশদভাবে বোঝানো হলো।
প্রথমত নিচের চিত্রে তবলার আকৃতি ও কোন স্থানের কি নাম ঝিয়ে দেওয়া হলো :

বাঁয়া
১ – মাটি বা তামার তৈরী খোল
২ – বিড় বা পাগড়ী
৩ – ছাউনী বা তালা
৪ – ছোটা বা দোয়ानी
৫ – গাব বা খিরণ
৬ – টাকী বা কানি
৭ – বিড়ে
তবলা বা ডাহিনা
১ – কাঠের তৈরী খোল
২ – বিড় বা পাগড়ী
৩ – ছাউনী বা তালা
৪ – ছোটা বা দোয়ালী
৫ – গাব বা খিরণ
৬ – কানী বা টাকী
৭ – বিড় বা পাগড়ী
৮ – বিড়ে
জঙ্গলের পরিচিতি — বড়ো আঙ্গলের নাম অঙ্গ তার পরেরটি তর্জনী। তার পরেরটি মধ্যমা। তারপর অনামিকা, শেষেরটিকে কনিষ্ঠা বলা হয় ।
নিচের চিত্রগুলিতে তবলার উপর কোন্ স্থানে আঘাত করলে কি শব্দ উত্থিত হয় চিত্র দ্বারা বোঝানো হলে৷

দক্ষিণ হস্তের মধ্যমা ও অনামিকার সংযোগে তবলার গাবে আঘাতের ফলে ‘তে’ শব্দ উত্থিত হয়। ( ১নং চিত্র দেখন ) ।
দক্ষিণ হস্তের তর্জনী দ্বারা ভবলার গাবের মধ্যস্থলে আঘাতের ফলে ‘রে’ শব্দ উত্থিত হয়। ( ২নং চিত্র দেখুন )
দক্ষিণ হস্তের মধ্যমা ও অনামিকার সংযোগে ভবলার গাবের মধ্যহলে আঘাতের ফলে ‘টে’ শব্দ উত্থিত হয়। ( ৩ নং চিত্র দেখুন )

দক্ষিণ হস্তের তর্জনীর দ্বারা তবলার কানীতে স্বল্প আঘাত করলে ‘না’ শব্দ উত্থিত হয় (৪ নং চিত্র দেখান )
ঐরূপে দক্ষিণ হস্তের তর্জনী দ্বারা তবলার কানীতে সামান্য জোরে আঘাত করলে ‘তা’ শব্দ উত্থিত হয়। (খ পৃষ্ঠার ৫ নং চিত্র দেখান ) ।
দক্ষিণ হস্তের কনিষ্ঠা গাবের কিনারায় রেখে তর্জনী দ্বারা ছাউনী ও কানীর মাঝে আঘাত করলে ‘তিন,’ শব্দ উত্থিত হয় । ( খ পৃষ্ঠার ৬নং চিত্র দেখান )

বাম হাতের সমস্ত অঙ্গগুলি দ্বারা বাঁয়ার গাবের উপর চাপা আঘাতে ‘কে’ এবং একই সঙ্গে ডান হাতের মধ্যমা অনামিকা ও কনিষ্ঠা দ্বারা তবলার গাবে বাঁয়া ও তবলায় একযোগে আঘাতে ‘কেন’ শব্দ উত্থিত হয় । ( ৭ ও ৮ নং চিত্র দেখুন ) ।

বাম হাতের তর্জনী হতে কনিষ্ঠা পর্যন্ত সমস্ত আঙ্গল একত্রিত করে বাঁয়ার গাবে চাপা আঘাতে ‘ক’ এবং ডান হাতের মধ্যমা ও অনামিকা তবলার গাবে রেখে তর্জনী দ্বারা কানীতে আঘাতে ‘তা’ শব্দ উত্থিত হয়। (৯ ও ১০ নং চিত্র দেখুন )।

দক্ষিণ হস্তের তর্জনী, মধ্যমা ও অনামিকা একত্র করে তবলার গাবের এক তৃতীয়াংশ মত স্থানে মদ, চাপা আঘাতে ‘তেৎ’ ও ‘দেৎ’ শব্দ উত্থিত হয়। ( ১১নং চিত্র দেখুন )
ডান হাতের তর্জ নী, মধ্যমা, অনামিকা একসঙ্গে করে তবলার গাবের এক চতুর্থাংশ স্থানের উপর খোলা আঘাতে ‘থন’ ও ‘দিন’ শব্দ উত্থিত হয় । ( ১২ নং চিত্র দেখুন ) ।
বাম হাতের করতল বাঁয়ার পেছনে রেখে আঙ্গ লেগগুলি উচু করে রেখে অর্থাৎ সাপের ফণার আকার করে মধ্যমার অগ্রভাগ দ্বারা গাব ও কানীর মধ্যেকার সাদা জায়গায় আঘাতে ‘গে’ শব্দ উত্থিত হয়। (১৩ নং চিত্র দেখুন ) ।

বাম হাতের আঙ্গ লেগলি অসংলগ্ন অবস্থায় রেখে এবং করতল বাঁয়ার উপর না রেখেই আঙ্গলগলির দ্বারা গাবের উপর চাপা আঘাতে ‘কৎ’ এই শব্দ উত্থিত হবে। ( ১৪ নং চিত্র দেখুন ) ।
ডান হাতের তর্জনী, মধ্যমা, অনামিকা ও কনিষ্ঠা একত্র করে সোজাভাবে রেখে তবলার গানের উপর খোলা আঘাতে ‘দিং’ শব্দ উত্থিত হৰে। ‘দিন’, ‘দেন,’, ‘ধম’ বাণীও এইরূপে বাহির হয়। (ঘ পৃষ্ঠার ১৫নং চিত্র দেখুন ) ।
শধুমাত্র ডানহাতের তর্জনী দ্বারা ‘দিং’ ৰাণীর মত তবলার উপর খোলা আঘাতে ‘দেং’ বাণী উত্থিত হয়। তেং’ বাণীটিও ‘দেং’ বাণীর ন্যায় হবে। ভবে ‘তেং’ বাণী বাজাতে আঘাতটি একটা চাপা হবে। ( ঘ পৃষ্ঠার ১৬ নং চিত্র দেখুন ) ।

বামহাতের করতল বাঁয়ার গাবের পিছনে রেখে, ‘গে’ বাণীর মত আঙ্গ,লগগুলি উচু করে সাপের ফণার মত রেখে, মধ্যমার অগ্রভাগ দ্বারা গাবের অপর প্রান্তে আঘাত এবং সেই সঙ্গে ডান হাতের মধ্যমা ও অনামিকা তবলার গাবের কিনারে রেখে তর্জনী দ্বারা তবলার কানীতে আঘাত করলে ছোট ‘ধা’ শব্দ উত্থিত হবে। বাঁয়া এবং তবলার উপর একই সঙ্গে আঘাত করতে হবে। ( ১৭ ও ১৮ নং চিত্র দেখান) ।

বামহাতের করতল বাঁয়ার গাবের পিছনে রেখে, আঙ্গলগুলি সাপের ফণার ন্যায় আকৃতি করে উচু করে রেখে, শ,ধ,মাত্র কব্জি দ্বারা গাবের পেছনে অল্প চাপ দিয়ে সেই সঙ্গে মধ্যমার অগ্রভাগ দ্বারা গাবের অপর প্রান্তে কানী ও গাবের মাঝের সাদা অংশে আঘাত করলে ‘ঘে’ শব্দ উত্থিত হবে । (ঙ পৃষ্ঠার ১৯ নং চিত্র দেখুন ) ।
‘ষে’ এবং ‘গে’ শব্দ একই রকম ভাবে হাতের অবস্থান ভঙ্গীতে বাজাতে হয়। কিন্তু; ‘ঘে’ শব্দে ডান হাতের কব্জিতে বাঁয়ার সাদা জায়গায় অর্থাৎ যেখানে কঞ্জির অবস্থান সেখানে স্বল্প চাপ দিতে হবে । উপরোক্ত নিয়মে বাঁয়ার উপর হাত রেখে চাপ না দিয়ে মধ্যমার অগ্রভাগ দ্বারা গাবের অপর প্রান্তে কানী ও গাবের মাঝের সাদা অংশে আঘাত করতে হবে এবং সেই সঙ্গে ডান হাতের মধ্যমা ও অনামিকা তবলার কানীর একপাশে রেখে অপর পার্শ্বে তর্জনী দ্বারা গাব ও কানীর মাঝের সাদা অংশে খোলা আঘাত করলে ‘ঘেন,’ শব্দ উত্থিত হবে। ( ঙ পৃষ্ঠার ২০ ও ২১ নং চিত্র দেখুন ) ।

‘দ্ধে’ বোল-বাণীটি উভয় হাতের অর্থাৎ ডাহিনা বা তবলা এবং বাঁয়া উভয়ের সাহায্যে বাজানো হয় ৷ প্রথমতঃ বামহাতে বাঁয়ার গাবের যে প্রান্তে বেশী স্থান আছে, ঐ প্রান্তে রেখে, আঙ্গালগালি সাপের ফণার মত করে তুলে ধরবে, এরপ করলে ভাবতঃই শধুমাত্র হাতের কব্জি বাঁয়ার উপরে থাকবে। এইবার শধুমাত্র মধ্যমা আঙ্গল বাঁকিয়ে অগ্রভাগ দ্বারা বাঁয়ার গাবের অপর প্রান্তে আঘাত করবে। আঘাতের সময় বাঁয়ার উপর সামান্য কব্জির চাপ দিতে হবে ।
এই সঙ্গে ডান হাত দিয়ে তবলার মধ্যস্থলে অনামিকা, মধ্যমা ও কনিষ্ঠা দ্বারা চাপা আঘাত করলেই ‘দ্ধে’ শব্দ উত্থিত হয়। তবে উভয় হাতের আঘাত যেন একই সঙ্গে হয় তার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে । ( ২২ ও ২৩ নং চিত্র দেখান ) ।

বামহাতের করতল বাঁয়ার গাবের অপর প্রান্তে রেখে, কনিষ্ঠা আঙ্গলে তুলে তর্জনী, মধ্যমা ও অনামিকার প্রথম পর্ব’ দ্বারা বাঁয়ার গাবের উপর চাপা আঘাত করতে হবে। আঘাতের সময় আঙ্গ,লগলি মধ্যম পর্ব হতে অঙ্গষ্ঠার শেষপর্ব পর্য ন্ত যাতে বাঁয়।র উপর চেপে না থাকে তার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে । একই সঙ্গে ডান হাতের মধ্যমা ও অনামিকা দ্বারা তবলার গাবের প্রান্তদেশ পশ করে তর্জনী দ্বারা গাব ও কানীর মাঝের সাদা অংশে ‘না’ শব্দের ন্যায় আঘাতে ‘জান’ বা ‘ভাড়ান,’ *. হয়। ( ২৪ ও ২৫ নং চিত্র দেখুন ) ।
অনেকের মতে ‘গ্রান,’ শব্দটি শুধমাত্র ডানহাতে তবলাতেই বাজানো হয় । এইভাবে একহাতে অর্থাৎ শংধ,মাত্র ডান হাতে বাজাতে হলে, ডানহাত দ্বারা মধ্যমা ও অনামিকা সহযোগে ভবলার গাবের কিনারায় আঘাত ও তর্জনী দ্বারা কানী ও গাবের মধ্যেকার সাদা অংশে আঘাত করতে হবে ।
ধেরেধেরে
এই শব্দটি বেশ অভ্যাস সাপেক্ষ। তবে মনোযোগ সহকারে অভ্যাস করলে আয়ত্ত করা দ;ঃসাধ্য নয়। এটা একবার অভ্যাস হয়ে গেলে শ্রতিমধরে হয় ।

প্রথমত বাঁয়ার গাবের অপর প্রান্তে করতল রেখে আঙ্গলেগলি তুলে সাপের ফণার মত করে একমাত্র মধ্যমার অগ্রভাগ বার। গাবের অপর প্রান্তে আঘাত করতে হবে। সেই সঙ্গে ডানহাতের করতলের কনিষ্ঠা আঙ্গলের শেষ পর্বের নিম্নভাগ থেকে কব্জি পর্যন্ত অংশ দ্বারা আঘাতে ‘ধে’ শব্দ উত্থিত হবে এবং বৃদ্ধাঙ্গ, ষ্ঠের শেষাংশ দ্বারা আঘাতে ‘রে’ শব্দ উত্থিত হবে। উক্তরূপে দ’বার বাজালেই ‘ধেরেঃধরে’ শব্দ হবে। (ছ পৃষ্ঠার ২৬ ও ২৭ নং চিত্র দেখুন ) ।
ধেরে ধেরে বোল বাণীটি ভালভাবে নিত্য অভ্যাস করতে পারলে বাদকের হাত বেশ খোলে এবং বোলটিতে হাত সাধাও চলে !
প্রিনি, তিনি ও কিনি
বামহাতের করতল বায়ার গাবের একপ্রান্তে অর্থাৎ যে প্রান্তে বেশী সাদা স্থান আছে, সেখানে রেখে, আঙ্গালগালি তুলে রেখে কেবলমাত্র মধ্যমার অগ্রভাগ দ্বারা গাবের অপর প্রান্তে কানী ও গাবের মধ্যস্থলে আঘাত করতে হবে। আঘাতকালীন মধ্যমার ডগাটি যেন কোলের দিকে টানা হয় এইভাবে আঘাত করতে হবে। একই সঙ্গে ডানহাতের তর্জনী দ্বারা তবলার গাব ও কানীর মধ্যকার সাদা অংশে

স্বল্প আঘাত করতে হবে, অনামিকা আঙ্গলটি গাবের পার্শ্বে কিঞ্চিৎ ম্পর্শ করে রাখতে হবে। এইভাবে উভয় হাতের শব্দ একসঙ্গে হবে, সঙ্গে সঙ্গে হাতের তর্জনী দ্বারাই তবলার কানীতে ‘তা’ শব্দের ন্যায় আঘাত করতে হবে। তাহলে ‘খিনি’ শব্দ উত্থিত হবে। যিনি শব্দ ‘ধিনা’ শব্দের ন্যায় একইরূপে বাজাতে হয় । ( ২৮ ও ২৯ নং চিত্র দেখুন ) ।
‘তিনি’ শব্দ বাজাতে হলে ডানহাতের মধ্যমা ও অনামিকা তবলার গাবের একপাশের কিনারায় রেখে, তর্জনী দ্বারা গাবের এবং কানীর মাঝের সাদা অংশে আঘাত করলে ‘তি’ শব্দ উত্থিত হবে । আবার উক্ত তর্জনীর দ্বারা তবলার কানীতে আঘাত করলে ‘নি’ শব্দ উত্থিত হবে। এইভাবে তিনি শঙ্গ বাজাতে হয় । ( ৩০ নং চিত্র দেখুন ) ।
‘কিনি’ শব্দ বাজাতে হলে বামহাতের মধ্যমা, অনামিকা ও কনিষ্ঠা দ্বারা বাঁয়ার গাবের উপর আঘাতে ‘কি’ শব্দ হবে তবলার উপর উপরোক্ত নিয়মে ‘নি’ শব্দ বাজাতে হবে।
তিক্

‘তিক্” শব্দ উভয় হস্তের সহযোগিতায়, অর্থাৎ তবলা ও বাঁয়া উভয়ের মধ্যে একযোগে আঘাতে বাজে। কারণ ‘তি’ শব্দটি ডানহাতের বা তবলায় । এবং ‘ক’ শব্দটি বামহাতের বা বাঁয়ার এই দুটি শব্দ একযোগে ‘তি’ ও ‘ক’ বাজালে ‘তিক’ শব্দ হয় ৷
‘তিক,” শব্দ বাজাতে হলে, ডানহাতের তর্জনীর অগ্রভাগ দ্বারা থেলার গাবের উপর আঘাতে “তি’ শব্দ এবং বামহাতের তর্জনী, মধ্যমা ও অনামিকার অগ্রভাগ দ্বারা বাঁয়ার গাবের উপর আঘাতে ‘ক’ শব্দ উত্থিত হবে ( ৩১ ও ৩২ নং চিত্র দেখুন ) ।

” শব্দ বাজাতে হলে ধারার পাগড়ী বা বেড়ীয় উপর আঙ্গালগালির মূলভাগ রেখে, এক্সপে অবস্থায় খোলা আঘাণ্ড এবং সেই সঙ্গে তবলার গাছের উপর ডান হাতের মধ্যমা ও অনামিকার অগ্রভাগ দ্বারা আঘাতে ‘ধা’ শব্দ হবে। উভয় হাতের আঘাত একই সঙ্গে করতে হবে। নচেৎ বাণী অশদ্ধ হবে। ( ঝ পৃষ্ঠার ৩৩ ও ৩৪ নং চিত্র দেখান ) ।
শুধুমাত্র তবলার গাবের উপর তর্জনীর অগ্রভাগ দ্বারা গ্রুপ আঘাতে ‘মা’ শব্দ উত্থিত হয় । (ঝ পৃষ্ঠার ৩৫ নং চিত্র দেখুন )।
এইরূপে উপরোক্ত নিয়মে ‘মা’ (ঝ পৃষ্ঠার ৩৩ ও ৩৫ নং চিত্র দেখুন ) শব্দ বাজাতে হবে । ‘ধ,মার্কেটে’ একসঙ্গে বাজাতে হলে (ঝ পৃষ্ঠার ৩৩ ও ৩৫ নং এবং গ পৃষ্ঠার ৭ নং ও খ পৃষ্ঠার ৩ নং চিত্র দেখান) উপরোক্ত চিত্রগুলির মত ‘ধূমাকেটে’ শব্দ বাজানো হবে।

‘ধো’ শব্দ বাজাতে হলে বাঁয়ার উপর সমস্ত আঙ্গালগালি দ্বারা এমনভাবে খোলা আঘাত করতে হবে যাতে আঙ্গলের মূলপর্বগুলি বাঁয়ার পাগড়ীর বা বেড়াঁর উপর থাকে। সেই সঙ্গে ডানহাতের তর্জনী, মধ্যমা ও অনামিকার প্রথম ও মধ্যপর্ব দ্বারা তবলার গাবের উপর খোলা আঘাত করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে উভয় হস্তের আঙ্গলের মূল পর্বগুলি তবলা বা বাঁয়ার উপর উঠে না যায় । এইভাবে একসঙ্গে তবলা ও বাঁয়ায় আঘাত করলে ‘ধো’ শব্দ উত্থিত হবে। ( ৩৬ ও ৩৭ নং চিত্র দেখুন ) ।
তবলার বিভিন্ন প্রকার বোল-বাণী রেখাচিত্র ‘বারা বোঝানো সম্ভব নয়। তবও রেখাচিত্র বারা বিভিন্ন প্রকার বোল-বাণী বাজাবার কায়দা এবং হাতের বিভিন্ন প্রকার অবস্থিতি সাধ্যমত দেখানো হলো। একট; বিশেষভাবে রেখাচিত্রগুলি অননুধাবন করে বাজালে আশা করি শিক্ষার্থীগণের অনেক সবিধা হবে ।
